ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
ফেসবুক পেজে ব্যবসা মানে মেসেজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ব্যবসা। কাস্টমার ইনবক্সে বা কমেন্টে লেখে, দর-দাম হয়, ঠিকানা নেওয়া হয়, তারপর কেউ একজন খাতায় বা এক্সেলে অর্ডার তোলে। যত অর্ডার বাড়ে, তত বেশি মেসেজ মিস হয়, ডাবল অর্ডার হয়, স্টাফ ছুটিতে গেলে থ্রেড হারায়। এই গাইডে দেখানো হলো পুরো প্রসেসটা কীভাবে গোছানো যায়।
১. সব চ্যানেলের মেসেজ এক ইনবক্সে আনুন
Messenger, পোস্টের কমেন্ট, WhatsApp আর Instagram DM — এই চারটা আলাদা জায়গায় ঢুকে ঢুকে উত্তর দেওয়া মানে সময় নষ্ট আর মেসেজ মিস। সবগুলো এক ইনবক্সে এলে একজন স্টাফ এক স্ক্রিন থেকেই সব সামলাতে পারে।
২. চ্যাট থেকেই অর্ডার তৈরি করুন
থ্রেড থেকে বেরিয়ে অন্য জায়গায় অর্ডার লেখা মানেই ভুল আর দেরি। যেখানে কথা হচ্ছে, সেখান থেকেই কাস্টমারের নাম, পণ্য, দাম আর ঠিকানা দিয়ে অর্ডার তৈরি হওয়া উচিত — এক ক্লিকে।
টিপ: কমন প্রশ্নের (দাম, ডেলিভারি চার্জ, ডেলিভারি টাইম) জন্য সেভ করা রিপ্লাই রাখুন। স্টাফের টাইপিং সময় কমে, উত্তরও একরকম থাকে।
৩. প্রতিটা থ্রেড আর অর্ডার কাউকে অ্যাসাইন করুন
"এই কাস্টমার কে দেখছে?" — এই প্রশ্নটা দিনে বহুবার ওঠে। প্রতিটা থ্রেড একজন স্টাফকে অ্যাসাইন করা থাকলে দায়িত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি থাকে না, আর দুইজন একসাথে একই কাস্টমারকে উত্তর দেয় না।
৪. রোল আর পারমিশন ঠিক করে দিন
সব স্টাফের সব কিছু দেখার দরকার নেই। ডেলিভারি টিম শুধু অর্ডার আর কুরিয়ার ট্যাব দেখবে, চ্যাট টিম শুধু ইনবক্স, হিসাব টিম শুধু রিপোর্ট। রোল-ভিত্তিক অ্যাক্সেসে ডেটাও নিরাপদ থাকে, স্ক্রিনও গোছানো থাকে।
৫. স্টাফ পারফরম্যান্স আর বেতন একসাথে রাখুন
কোন স্টাফ কত মেসেজের উত্তর দিল, কত অর্ডার কনফার্ম করল, কত বিক্রি আনল — এই ডেটা থাকলে মাস শেষে বেতন বা বোনাস হিসাব করা অনুমান নয়, রেকর্ড দিয়ে হয়। স্টাফ প্রোফাইলে বেতনের তথ্য রাখলে পুরো হিসাব এক জায়গায় থাকে।
৬. অর্ডার কনফার্ম হলে সরাসরি কুরিয়ারে
ইনবক্স থেকে কনফার্ম হওয়া অর্ডার আলাদা করে আবার কুরিয়ার প্যানেলে তোলা লাগবে না — এক জায়গা থেকেই Steadfast, Pathao সহ কুরিয়ারে বুকিং, ট্র্যাকিং আইডি অর্ডারে বসে যায়।
OMSNex এই পুরো ফ্লো — ইউনিফায়েড ইনবক্স, চ্যাট-থেকে-অর্ডার, স্টাফ রোল, পারফরম্যান্স আর কুরিয়ার — এক ড্যাশবোর্ডে দেয়। ফেসবুক পেজ অর্ডার ম্যানেজমেন্ট পেজ দেখুন অথবা ৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন।

